Loksabha Election 2024: রায়গঞ্জে জোরদার ত্রিমুখী লড়াই, তৃণমূলের ‘কৃষ্ণ’ বলছেন, প্রতিদ্বন্দ্বীই নাকি নেই!

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বারবারই বলেন, উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা কেন্দ্র রায়গঞ্জ কোনওদিনই তৃণমূলের ছিল না। কখনও বাম রাজনীতি, আবার কখনও কংগ্রেসের ‘হাতে’ই আস্থা রেখেছে রায়গঞ্জবাসী। তবে ব্যতিক্রম ছিল গত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন। সকলকে চমকে দিয়ে অন্যতম হেভিওয়েট কেন্দ্র রাজগঞ্জে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন বিজেপির দেবশ্রী চৌধুরী। প্রায় সাড়ে ৬০ হাজার ভোটে জিতে সংসদে পা রাখেন তিনি।

এবার সেই রায়গঞ্জে প্রার্থী বদল করেছে বিজেপি। ওই কেন্দ্রের দলের বিদায়ী সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী চলতি লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রের পদ্মপ্রার্থী। রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থী করেছে কার্তিকচন্দ্র পালকে। তৃণমূল প্রার্থী করেছে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে। আর কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা আলি ইমরান রামজ় ওরফে ভিক্টর-কে।

শুক্রবার সকাল সকাল ভোট পরিদর্শনে বেরিয়ে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস এবং প্রত্যয়ের কথা শোনালেন রায়গঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। বিজেপি না কংগ্রেস- লড়াই কার সঙ্গে? প্রশ্ন শুনেই তাঁর সহাস্য দাবি, “আমাদের জয়ের ব্যবধান এতটাই বেশি হবে যে, কে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বোঝা যাবে না। জয় নিয়ে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।” রায়গঞ্জে একটা সময় রাজ করে আসা কংগ্রেস এবার ফ্যাক্টর হবে কিনা জানতে চাওয়া হলে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “যিনি চাকুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে নিজের জামানত বজায় রাখতে পারেন না, তিনি আবার ভোটে ফ্যাক্টর হবেন কী করে?”

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০.০৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী। তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়াল পেয়েছিলেন ৩৫.৩২ শতাংশ ভোট। তৃতীয় স্থানে থাকা সিপিএমের মহম্মদ সেলিম পেয়েছিলেন ১৪.২৫ শতাংশ ভোট। আর কংগ্রেস প্রার্থী দীপা দাশমুন্সি পেয়েছিলেন মাত্র ৬.৫৫ শতাংশ ভোট। প্রসঙ্গত, সেলিম এবং দীপা, দু’জনেই রায়গঞ্জের প্রাক্তন সাংসদ। তবে রায়গঞ্জে এবার যে লড়াইটা দুই ফুলেরই, তা বেশ বুঝতে পারছে বাম-কংগ্রেস জোট সমর্থকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.