হজ যাত্রায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩০০

মক্কায় থামছেই না মৃত্যু মিছিল। বিভিন্ন কারণে মৃত্যু হচ্ছে একের পর এক তীর্থযাত্রীদের। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এপর্যন্ত ১৩০০ জনের প্রাণ গেছে।

তাপপ্রবাহ আর বিধি সম্মতভাবে, সরকারি নিয়ম না মেনে হজযাত্রা। রবিবার সৌদি আরবের তরফে জানানো হয়েছে, মূলত এর জেরেই একের পর এক তীর্থযাত্রী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।

প্রতিবছর লাখ লাখ পুণ্যার্থী ভিড় জমায় পবিত্র মক্কায়। সেই উপলক্ষ্যে সরকারের তরফে সমস্তরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা নিয়ে হজ যাত্রা করতে একজন পুণ্যার্থীকে প্রথমে লাইসেন্স তৈরি করতে হয়। যা বেশ খরচ সাপেক্ষ। কিন্তু লাইসেন্স থাকলে জল, খাবার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশ্রামাগার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসের সুবিধা পাওয়া যায়। যার ফলে এই গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে, একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পুণ্যার্থীকেই হজ করার অনুমতি দিয়ে থাকে সেখানকার সরকার ও কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরবের তরফে জানানো হচ্ছে, সরকারের অনুমতি নিয়ে ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রা ব্যয় সাপেক্ষ হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষই বিনা অনুমতিতে হজ যাত্রা শুরু করেন আবার অনেকের সামর্থ্য থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় নিজেদের মতো হজ যাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। আর এতেই বিপত্তি।

রবিবার প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গেছে, যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের ৮৪ শতাংশই অনুমতি ছাড়া হজ যাত্রা করছিল। ফলে সরকারের তরফে নির্দিষ্ট করা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোনও স্থানে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ তারা পায়নি। তীব্র গরমে রোদের মধ্যে হেঁটে পবিত্র স্থানে পৌঁছাতে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়ে ও মৃত্যু হয়। তবে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ অব্যবস্থার অভিযোগ তুলেছে।

সম্প্রতি ইজিপ্ট সরকার হজযাত্রার সঙ্গে যুক্ত ১৬টি সংস্থাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে। কারণ এই ১৩০০ জনের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি সেখানকার বাসিন্দা।

Gargi Das

Gargi Das. Editor of Nagarnama.

Leave a Reply

Your email address will not be published.