ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ কার্যকরী এই আয়ুর্বেদিক ভেষজ

আমাদের শরীরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ইউরিক অ্যাসিড থাকে । সেটি পিউরিন ভেঙে বর্জ্য পদার্থে পরিণত হয় ও কিডনিতে ফিল্টার হয়ে মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। এর মাত্রা বেড়ে গেলেই জয়েন্ট লাল হয়ে ফুলে যাওয়া, গায়ে-হাত-পায়ে যন্ত্রণা, গিঁটে ব্যথার মতো শরীরে নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আপনার সুষম খাদ্যাভাসে চা, গরম জল কিংবা উষ্ণ দুধের সঙ্গে কিছু আয়ুর্বেদিক ভেষজ মিশিয়ে খেলেই নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা।

জেনে নিন কী কী আয়ুর্বেদিক ভেষজ কীভাবে খাবেন :

ত্রিফলা : আমলকী,হরিতকী ও বহেড়ার মিশ্রণে তৈরি ত্রিফলা হজম করতে ও ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।

গিলয় : গিলয় ভেষজটির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান যা ইনফ্লামেশন রুখতে সাহায্য করে।

আমলকী : ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলা জয়েন্ট ফুলে যাওয়া কমায়।

গোকশুরা ও পুনর্নবা: এই দুই আয়ুর্বেদিক ভেষজে রয়েছে মূত্র বর্ধক উপাদান যা মূত্র তৈরি করতে ও ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করতে দারুণ কার্যকরী।

আরও পড়ুন : একাধিক রোগে মহৌষধি নিম

শিলাজিৎ : শিলাজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল এবং ফুলবিক অ্যাসিড। কিডনির ক্রিয়াকে উন্নত করে শিলাজিৎ।

ধনে : ধনেপাতা কিংবা ধনে বীজের মধ্যে থাকা মূত্রবর্ধক উপাদান মূত্র তৈরিতে সাহায্য করার পাশাপাশি শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড বের করে দেয়।

হলুদ : হলুদে থাকা কারকিউমিনে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। কাঁচা হলুদ বা উষ্ণ দুধে গুঁড়ো পাউডারের মতো করে মিশিয়ে খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমতে পারে।

নিম : চায়ে নিমপাতা দিয়ে অথবা জলের মধ্যে নিম পাতার গুঁড়ো ও মধু মিশিয়ে খেলে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড বের হয়ে যায়।

সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল- https://www.youtube.com/@NagarNama424

ফলো করুন ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/nagarnamanews

ফলো করুন X হ্যান্ডেলে- https://twitter.com/nagarnama

Leave a Reply

Your email address will not be published.